BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
Friday , January 20 2017
Loading...
Home / অন্যান্য / আজ ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবস

আজ ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবস

আজ ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয়েছিল তৎকালীন ঠাকুরগাঁও মহকুমা। মরনপণ লড়াই আর মুক্তিকামী জনগণের দুর্বার প্রতিরোধে পতন হয় পাকিস্তানি বাহিনীর।

যাদের আত্মত্যাগে দেশ শত্রুমুক্ত হয়েছিল তাদের স্মরণে হানাদার মুক্ত দিবস পালনে এবার উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তি শোভাযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠান, আলোচচিত্র প্রদর্শন, নাটক, সম্মাননা প্রদান। দিবসটি পালনে সরকারি উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা দাবি মুক্তিযোদ্ধাসহ সবার।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনারা ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালির ওপর। তাদের প্রতিরোধ করতে সারাদেশসহ ঠাকুরগাঁওবাসীও গড়ে তুলেছিল দুর্বার আন্দোলন।

ঠাকুরগাঁও মহকুমা ছিল ৬ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত। কমান্ডার ছিলেন স্কোয়াড্রেন লিডার খাদেমুল বাশার। ৮ মের আগ পর্যন্ত সুবেদার কাজিম উদ্দিনের দায়িত্বে ছিলেন। ৯ মে ক্যাপ্টেন নজরুল, কাজিম উদ্দিনের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে স্কোয়াড্রেন সদরু উদ্দিন ও ১৭ জুলাই ক্যাপ্টেন শাহারিয়া সাব সেক্টরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২১-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হয় বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও হরিপুর থানা অঞ্চলে। ২৯ নভেম্বর এ মহকুমার পঞ্চগড় থানা প্রথম শত্রু মুক্ত হয়। এরপর পাকিস্তানি বাহিনীর মনোবল ভেঙে যায়। তারা প্রবেশ করে ঠাকুরগাঁওয়ে।

৩০ নভেম্বর হানাদারে বাহিনী ভুল্লী ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। তারা সালন্দর এলাকায় সর্বত্র বিশেষ করে ইক্ষু খামারে মাইন পুঁতে রাখে। মিত্রবাহিনী ভুল্লী ব্রিজ সংস্কার করে ট্যাংক পারাপারের ব্যবস্থা করে।

১ নভেম্বর কমান্ডার মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঠাকুরগাঁওয়ের দিকে ঢোকে। ২ ডিসেম্বর রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়। ওই রাতেই শত্রু বাহিনী ঠাকুরগাঁও থেকে পিছু হটে ২৫ মাইল নামক স্থানে অবস্থান নেয়। ৩ ডিসেম্বর বিজয়ের বেশে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধারা।

READ  ‘পাটের দাম দিয়া শেখের বেটি ভালা কাম করছে’
Loading...

Leave a Reply

Loading...