BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
Friday , January 20 2017
Loading...
Home / অন্যান্য / ১২ ডিসেম্বর নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবস

১২ ডিসেম্বর নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবস

১৯৭১ সালের ১২ ডিসেম্বর পাকিস্থান বাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নরসিংদী পাকিস্থান হানাদার মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ওই খন্ড যুদ্ধে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে শহীদ হন ১১৬ জন বীর সন্তান। এর মধ্যে ছিলেন নরসিংদী সদরের ২৭, মনোহরদীর ১২, পলাশে ১১, শিবপুরের ১৩,রায়পুরায় ৩৭ ও বেলাব উপজেলার ১৬ জন। এছাড়া বহু মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে নরসিংদী হানাদার মুক্ত হয়।

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আজো অযত্নে আর অবহেলায় রয়েছে নরসিংদীর বেশ কয়েকটি বধ্যভূমি। দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান আর তার পরিবারের উন্নতি হলেও উন্নতি হয়নি ৭১’র সময় হায়েনাদের হাতে নিহত বীর সেনাদের স্মৃতিচিহ্নগুলো।

১৯৭১’র পাকবাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের কথা মনে হলে এখনো ভয়ে আতকে উঠেন নরসিংদীবাসী। স্বজন হারানোদের বেদনায় এখনও ভারী হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫ বছরেও সংরক্ষণ করা যায়নি নরসিংদী জেলার বধ্যভূমিগুলো। বধ্যভূমিগুলো পরে রয়েছে চরম অযত্নে আর অবহেলায়। যার ফলে বর্তমান প্রজন্মের কাছে এ গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের অবদান সম্পর্কে রয়েছে অজানা। নরসিংদীর খুব কম এলাকাই রয়েছে যেখানে হায়েনাদের নিষ্ঠুর ছোবল পড়েনি।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা, শীলমান্দী মাছিমপুর বিল, খাটেহারা ব্রিজ, শিবপুরে ঘাসিরদিয়া, বেলাবরের আড়িয়াল খাঁ নদীর পাশে বড়িবাড়ি, রায়পুরার মেথিকান্দা রেল স্টেশনের পার্শ্ববতীস্থান ও মনোহরদী উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীকে ধরে এনে নির্বিচারে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছিল পাকিস্তানি সেনারা। এর মধ্যে এলাকাবাসী ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে চিহ্নিত জেলার ৩টি বধ্যভূমি হলো, বেলাবর বড়িবাড়ি, রায়পুরার মেথিকান্দা ও নরসিংদী সদরের পাঁচদোনা। এসব বধ্যভূমির প্রায় সবগুলোই অরক্ষিত রয়েছে।

READ  'আল্লাহ, যদি পুরুষের কাছ থেকে রেহাই পেতাম'
Loading...

Leave a Reply

Loading...