২০৩০ সালের মধ্যে দ.এশিয়ায় দেড় কোটি শিক্ষক প্রয়োজন: ইউনেস্কো – Editortoday
BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
Monday , May 1 2017
Breaking News
Home / অন্যান্য / ২০৩০ সালের মধ্যে দ.এশিয়ায় দেড় কোটি শিক্ষক প্রয়োজন: ইউনেস্কো

২০৩০ সালের মধ্যে দ.এশিয়ায় দেড় কোটি শিক্ষক প্রয়োজন: ইউনেস্কো

আগামী ২০৩০ সালে মধ্যে বৈশ্বিক শিক্ষা হারের লক্ষমাত্রা অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ায় এক কোটি ৫০ লাখের (১৫ মিলিয়ন) বেশি শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। ইউনেস্কোর ‘শিক্ষকদের মূল্যায়ন, তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউনেস্কো প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ২০১৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোকে এ শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে শিক্ষক স্বল্পতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এসব দেশে প্রাথমিকে ৩৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক এবং ২০১৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ২৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক শিক্ষা দিয়ে থাকেন। শিক্ষার্থী-শিক্ষকের এই অনুপাত বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমানে বৈশ্বিক গড় অনুপাতে ১৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

ইউনেস্কো ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটিসটিক্স-এর পরিচালক সিলভিয়া মনটয়া বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার মান একই ধরনের।’

তিনি আরও বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নির্ভর করবে প্রথমত পর্যাপ্ত শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের ওপর, দ্বিতীয়ত চাকরি করার জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, সম্পদ ও সহযোগিতার ওপর এবং তৃতীয়ত ৬০/৭০ জন শিক্ষার্থীর চেয়ে গ্রহণযোগ্য শিক্ষার্থী সংখ্যার ওপর।’

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট ছয় কোটি ৮৮ লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষার সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ভারকে ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভিকাস পোটা বলেন, ‘আমরা জানি ভালো বেতন দিলে শিক্ষকতা পেশা মেধাবীদের আকৃষ্ট করবে এবং তারা এ পেশায় থাকতে চাইবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকদের বেতন ১০ শতাংশ বাড়ানো হলে শিক্ষার্থীদের মানও ১০ শতাংশ বাড়বে। তবে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো যদি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিক্ষায় সহায়তা বাড়ায় তবে শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো সম্ভব। যদিও ২০১০ সালের পর শিক্ষাখাতে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তা কমেছে।’

source: bangla tribune

Leave a Reply